সারা নারায়ণগঞ্জ

নাঃগঞ্জ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা "রানা" মাদকের অঘোষিত গডফাদার



নাঃগঞ্জ স্বেচ্ছাসেবক  দল নেতা "রানা" মাদকের অঘোষিত গডফাদার
স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রানা মাদকের অঘোষিত গডফাদার



জেলা জুড়ে চলছে সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে সাড়াসি অভিযান। প্রতিদিনি প্রশাসনের জালে ধরা পরছে মাদক সেবী ও মাদক ব্যবসায়ীরা। উদ্ধার হচ্ছে মাদকও।তবে যাদের কে ধরা  হচ্ছে তারা স্থানীয় পর্যায়ের  ছোট ছোট মাদক ব্যাবসায়ী। বড় বড় রাঘব বোয়ালেরা প্রকাশ্যে বুক ফুলিয়ে ঘুরছে। তারা জেলা শহর ও শহরতলীর আশপাশ এলাকাগুলোতে পাইকারি ভাবে বিভিন্ন পাড়া, মহল্লার মাদক ব্যাবসায়ী ও স্পট পরিচালনাকারীদের নিকট দিন-রাতের যে কোন একটা সময় স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকের স্পট পরিচালনাকারীদের নিকট ইয়াবা,গাজা,হেরোইন, ফেনসিডিল, মদ, বিয়ার,স্কাফ, ফেড্রারডিল সিরাপ সহ চাহিদানুযায়ী মাদক ভিন্ন ভিন্ন কৌশলে সরবরাহ করে থাকে। রাত ৮ থেকে ১০ টার মধ্যে সরবরাহ করা মাদকের টাকা এসে দিয়ে যায় প্রভাবশালী পাইকার শির্ষ ব্যবসায়ীকে। প্রতিদিন গড়ে এ রকম শির্ষ প্রভাবশালী পাইকারি মাদক ব্যবসায়ীরা কম করে হলেও দিন শেষে ৩০ থেকে ৪০ লাখ টাকা মাদক বিক্রির টাকা নিয়ে বাসায় ফিরে।

এ সকল শির্ষ মাদক ব্যবসায়ীদের পেছনে রয়েছে আবার  সরকারি রাজনৈতিক দলের শেল্টার। কেউ বা আবার নিজেই রাজনৈতিক সরকার দলীয় কোন অঙ্গ সংগঠনের শির্ষ পর্যায়ের নেতৃত্বে রয়েছেন।

তাদেরই একজন হচ্ছে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সাখাওয়াত হোসেন রানা ওরফে ভাগিনা রানা। মাদকের পাশাপাশি অবৈধ অস্ত্র ব্যবসার সাথে ও তার জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। ২০০৪ সালে ঢাকায় তৎকালীন র‍্যাবের সাথে কথিত বন্দুক যুদ্ধে মারা যায় প্রভাবশালী মহানগর যুবদল নেতা মমিনুুল্লাহ ডেভিড। তার বড় বোনের ছেলে হচ্ছে শাখাওয়াত হোসেন রানা। শহর ও শহরতলীর আশপাশ এলাকায় তাকে ভাগিনা রানা নামেই  পরিচিত। 

অস্ত্র ও মাদক ব্যবসার সাথে ভাগিনা রানার জড়িত থাকার অভিযোগটি বেশ পুরোনো। ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের হাতে একটি প্রাইভেট সহ বিপুল পরিমান ফেনসিডিল নিয়ে আটক হলে অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে সে যাত্রায় রক্ষা পেলেও বিষয়টি অনেকেই জেনে যায়। এর মধ্য দিয়ে সে প্রথম মাদক সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনায় আসে। ২০১৪ সালে জেলার রুপগঞ্জ থানা এলাকায় মাদকের বিশাল চালান নিয়ে গ্রেফতার হয়। নানা দেনদরবারের পরেও রেহাই মেলেনি ভাগিনা রানার। মামলা হয় রুপগঞ্জ থানায়।

এ ঘটনার পর সে আর কখনো দেশের সীমান্তবর্তী স্থান থেকে নিজ গাড়ীতে করে মাদক  নিয়ে আসতোনা। টাকার বিনিময়ে লোক দিয়ে জেলার বন্দর, টানাবাজার, খানপুর,আমলাপাড়া মাছুয়া পাড়া,পাইকপাড়া এলাকায় দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মাদক এনে মজুত করে তা জেলার বিভিন্ন এলাকার  খুচরাব মাদক কারবারিদের নিকট সরবরাহ করতো। একই সাথে চট্রগ্রাম ও কুমিল্লা সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে অস্ত্র এনে পেশাদার অপরাধিদের নিকট বিক্রি করে দিতো। ফলে অপরাধীদের নিকট তার কদর বৃদ্ধি পায়।  হাসিনা সরকারের শাসনামলে ভাগিনা রানার একটি মাদকের চালান বন্দর থানা এলাকায় পুলিশের হাতে আটক হয়। তৎকালীন সময়ে স্থানীয়  দুলাল কমিশনারের বদৌলতে মাদক উদ্ধারের ঘটনায় মামলা হলেও এজাহার থেকে রানার নাম বাদ দেওয়া হয়। 

হাসিনা সরকারের শাসনামলে আত্নগোপনে থেকেও মাদক ব্যাবসা  তার চলমান ছিলো। বন্দর, টানবাজার এবং পাইকপাড়া ও জল্লারপাড় এলাকায় ছিলো তার মাদকের গোডাউন। 

হাসিনা সরকারের পতন হলে জেলা শহরজুড়ে সে মাদকের একক রাজত্ব কায়েম করে। শহরের চানমারী, রেলস্টেশন, আমলাপাড়া,মিশনপাড়া,হকার মার্কেট, চাষারা বালুর মাঠা,জামতলা সহ আশপাশ জুড়ে মাদক বাজােরের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে। চাষাড়া সরকারি তোলারাম কলেজের বিপরীতে ইসদাইর নতুন রাস্তার মাদক বাজার নিয়ন্ত্রণ নিতে গেলে একাধিক প্রতিপক্ষের সাথে দন্ধে জড়িয়ে পরে। এরই মাঝে   ইসদাইর নতুন বাজারস্থ  রানার মালিকানাধীন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে থেকে ফতুল্লা থানা পুলিশ একটি কভার ভ্যানগাড়ী  থেকে ৬০০ বোতল ভারতীয় নিষিদ্ধ  সিরাপ স্কাফ উদ্ধার করে। এসময় আটক করা হয় রানার এক সহোযোগি কে। তবে রানা পুলিশের গাড়ীর উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। এ ঘটনায় পুলিশ রানার খোজে সদর থানার টানবাজার স্থ বাসায় অভিযান চালায়। তবে রানাকে পায়নি পুলিশ। এ বিষয়ে জেলার মহানগর বিএনপির এক শির্ষ নেতা জেলা পুলিশের শির্ষ পর্যায়ের পাশাপাশি থানার কর্তাবাবুকেও মুঠোফোনে ফোন করে রানাকে না জড়ানোর অনুরোধ করে। এ ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই মাদক ব্যবসার স্পট পরিচালনার প্রভাব কে কেন্দ্র করে মাদকের স্পট পরিচালনাকারী মাদক ব্যবসায়ী রাজ্জাক বাহিনীর সাথে সংঘর্ষে জড়ায় রানা। চলতি বছরের মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়ে  মাহফুজুর রহমান শুভ নামের mরাজ্জাক বাহিনীর এক সদস্য রানাকে একটি রিক্সার গ্যারেজর ভিতরে চাপাতি দিয়ে ধাওয়া করে।সেই ঘটনার একটি সিসি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পরে। সিসি ফুটেজে দেখা যায় একটি চাপাতি হাতে রানাকে ধাওয়া করে মাহফুজুর রহমান শুভ।  এর কয়েকদিন পর ২৯ মার্চ সন্ধ্যায়  মাহফুজুর রহমান শুভকে  ইসদাইর রেললাইন এলাকা থেকে একটি অটো রিক্সায় ত ডেকে নেয়। তিনি সেখানে পৌঁছালে আসামিরা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর জখম করে এবং একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। রাতেই মাহফুজুর রহমান শুভ'র মা থানায় এসে লিখিত অভিযোগ করে জানায় যে তার ছেলেকে ভাগিনান রানা ও তার সহোযোগিদের অপহরন করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে গেছে। পুলিশ প্রথমে বিষয়টি আমলে না নিলেও শুভ'র পরিবারের চাপের মুখে পুলিশ রানার নামে অভিযোগ গ্রহণ করে তদন্তে নামে।এর একদিন পর ৩০ মার্চ মাহফুজ রহমান শুভ'র মৃত দেহ উদ্ধার করে রুপগঞ্জ থানা পুলিশ। অজ্ঞাত হিসেবে শুভর লাশ দাফন ও করে ফেলে রুপগঞ্জ থানা পুলিশ। দাফনের একদিন পর ফতুল্লা পুলিশ জানতে পারে রুপগঞ্জ থানা পুলিশ অজ্ঞাত এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে এবং তা দাফনও করে ফেলেছে। পরে পুলিশ শুভর পরিবারের সদস্যদের নিয়ে রুপগঞ্জ থানায় গেলে ছবি এবং লাশের জামা কাপড় দেখে নিশ্চিত হয় এটাই মাহফুজুর রহমান শুভর লাশ। ঘাতক চক্র মাহফুজুর রহমান শুভকে ইসদাইর থেকে অপহরন করে হত্যার পর লাশ সেখানে ফেলে রেখে আসে। এ ঘটনায় শুভর মা বাদী হয়ে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক  শাখাওয়াত হোসেন রানা ওরফে ভাগিনা রানা কে প্রধান আসামী করে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা দায়ের করে।মামলায় যাতে রানা কে আসামী করা না হয় সেজন্য স্ব-শরীরে ফতুল্লা থানায় আসে মহানগর বিএনপির ঐ শির্ষ নেতা। কিন্ত নিহত শুভর

পরিবার তা কোন ভাবেই মেনে নিতে পারছিলোনা।  তাই পুলিশ বাধ্য হয় রানার নামে মামলা নিতে। মামলা হলেও রানা থেকে যায় ধরা ছোয়ার বাইরে। জামিন নেওয়ার পূর্ব পর্যন্ত রানা প্রকাশ্যে খুব একটা বের হতোনা। শুধু মাত্র রাজনৈতিক কর্মসূচীতে তাকে দেখা যেতো। হত্যা মামলায় জামিন নেওয়ার পর রানা প্রকাশ্যে ইসদাইর এলাকায় সদলবলে প্রবেশ করে সেখানকার ছোট বড় সকল মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে বৈঠক করে। এভাবেই সে ধীরে ধীরে ইসদাইর নতুন বাজারের মাদক স্পটগুলোর নিয়ন্ত্রণকর্তা বনে যায়।তবে রাজ্জাক বাহিনী ও সহজে  ছেড়ে দেওয়ার  মতো নয়।তারা হঠাৎ করে এলাকায় এসে তাদের প্রতিপক্ষদের ওপর হামলা চালিয়ে চলে যেতো। রাজ্জাক বাহিনীর বিরুদ্ধে দুটি গুম ও খুনের মামলা থাকায় পুলিশ ও তাদের গ্রেফতারে মরিয়া হয়ে মাঠে নামে। রাজ্জাক বাহিনীর   একের পর এক সদস্য পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়। সবশেষে বন্দর থেকে পুলিশ পুত্র সহ  রাজ্জাক কে গ্রেফতার করে। রানা ফাকা মাঠ পেয়ে সেলিম নামের এক বিএনপি নেতাকে ব্যবহার করে ইসদাই নতুন  বাজার গলির মাদক ব্যবসার একক আধিপত্য বিস্তার করে। ছোট বড় সকল মাদক ব্যবসায়ীকে বাধ্য করা হয় রানার লোকজনের নিকট থেকে মাদক ক্রয় করতে। একাধিক সূত্র মতে নারায়নগঞ্জের ছোর বড় প্রায় অর্ধশতাধিক মাদক ব্যবসায়ী রানার নিকট  থেকে পাইকারি মূল্যে চাহিদানুযায়ী মাদক ক্রয় করে তা মাদক সেবীদের নিকট বিক্রি করে। নারায়নগঞ্জ জেলায় কর্মরত রানার মাদক ব্যবসার বিষয়ে অবগত থাকলেও রাজনৈতিক শেল্টারের কারনে এবং মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের শির্ষ পদধারী নেতা হওয়ার কারনে তাকে রিকভারি ছাড়া গ্রেফতার করার সাহস করছেনা। 

একাধিক তথ্য মতে,জেলার শহর ও শহরতলীর সদর মডেল থানা,ফতুল্লা মডেল থানা,সিদ্ধিরগঞ্জ থানা এলাকায় রাজনৈতিক আশ্রয় পশ্রয়ে বা সরকারদলীয় অঙ্গসংগঠনের পদ ব্যবহার করে পর্দার অন্তরালে থেকে মাদক কারবারে সক্রিয় থেকে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা উপার্জন করছে তাদের সংখ্যা ও নেহায়েত কমনা। পর্দার অন্তরালে থেকে প্রতক্ষ্য বা পরোক্ষ ভাবে সরকারদলীয় সাইবোর্ড ব্যবহার করে যে সকল।পদধারী নেতারা মাদকের বড় বড় স্পটে মাদক সরবরাহ বাপরিচালনা করে আসছে তাদের মধ্যে অন্যতমরা হলো জেলা তাতি দলের সাংগঠনিক সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান উজ্জল ও তার ছোট ভাই সম্রাট,জেলা কৃষকমদলের যুগ্ম আহবায়ক বক্তাবলীর ইদ্রিস আলী ওরফ দৈত্য ইদ্রিস,ফতুল্লা থানা কৃষক দলের সিনিয়র সহ সভাপতি আলী গঞ্জের ইব্রাহিম হোসেন এবং  ভুইগড়-সাইনবোর্ড এলাকায় বসে  জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফতুল্লা থানা ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক মেহেদী হাসান দোলন এক শির্ষ মাদক ব্যবসায়ীর সাথে যৌথভাবে মাদক ব্যবসা  পরিচালনা করে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অপরদিকপ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদক নাজমুল হাসান বাবুর বিরুদ্ধে ও মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তবে তাতি দল নেতা সিদ্দিকুর রহমান উজ্জল, জেলা কৃষক দল নেতা ইদ্রিস আলী, ফতুল্লার কৃষক দল নেতা ইব্রাহিম হোসেন,জেলা স্বেচ্ছাসেআক দল নেতা নাজমুল হাসান বাবুর বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার বিষয়টি বেশ পুরোনো। রয়েছে যথেস্ট তথ্য প্রমাণ। তবে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত  ছাত্রদল নেতা  মেহেদী হাসান দোলনের নাম সাম্প্রতিক সময়ে তথ্য,প্রমান সহ  আলোচনায়  উঠে এসেছে। সে নিজে ও প্রতিনিয়ত মাদক সেবনে অভ্যস্ত বলে একাধিক সূ্ত্র নিশ্চিত করেছে। এক সময় শুধু গাঁজা সেবনে অভ্যস্ত ছিলো। গত এক বছরেরও অধিক সময়য় ধরে সে গাজার পাশাপাশি ফেনসিডিল ও ইয়াবা ট্যাবলেট সেবনে আসক্ত হয়ে পরেছে বলে সূত্রটি জানায়।

সচেতন নাগরিকদের মতে, মাদকবিরোধী অভিযানে শুধু পাড়া-মহল্লার খুচরা বিক্রেতা ও সেবনকারীদের গ্রেপ্তার করলে মাদকের সরবরাহব্যবস্থা পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব নয়। সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মাদক কীভাবে নারায়ণগঞ্জে ঢুকছে, কারা তা সংগ্রহ করছে, কারা মজুত করছে এবং কারা বিভিন্ন স্পটে সরবরাহ করছে—এসব বিষয় তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন।

তাদের মতে, রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাব বিবেচনায় না নিয়ে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া দরকার। তদন্তে কারও সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হলে মাদকের সরবরাহব্যবস্থায় বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।

নারায়ণগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযান কার্যকর করতে হলে তাই শুধু দৃশ্যমান খুচরা বিক্রেতাদের গ্রেপ্তার নয়, মাদকের অর্থের উৎস, সরবরাহের পথ, মজুতের স্থান এবং মূল অর্থদাতা ও সরবরাহকারীদের শনাক্ত করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।



আপনার মতামত লিখুন

সারা নারায়ণগঞ্জ

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬


নাঃগঞ্জ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা "রানা" মাদকের অঘোষিত গডফাদার

প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image



জেলা জুড়ে চলছে সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে সাড়াসি অভিযান। প্রতিদিনি প্রশাসনের জালে ধরা পরছে মাদক সেবী ও মাদক ব্যবসায়ীরা। উদ্ধার হচ্ছে মাদকও।তবে যাদের কে ধরা  হচ্ছে তারা স্থানীয় পর্যায়ের  ছোট ছোট মাদক ব্যাবসায়ী। বড় বড় রাঘব বোয়ালেরা প্রকাশ্যে বুক ফুলিয়ে ঘুরছে। তারা জেলা শহর ও শহরতলীর আশপাশ এলাকাগুলোতে পাইকারি ভাবে বিভিন্ন পাড়া, মহল্লার মাদক ব্যাবসায়ী ও স্পট পরিচালনাকারীদের নিকট দিন-রাতের যে কোন একটা সময় স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকের স্পট পরিচালনাকারীদের নিকট ইয়াবা,গাজা,হেরোইন, ফেনসিডিল, মদ, বিয়ার,স্কাফ, ফেড্রারডিল সিরাপ সহ চাহিদানুযায়ী মাদক ভিন্ন ভিন্ন কৌশলে সরবরাহ করে থাকে। রাত ৮ থেকে ১০ টার মধ্যে সরবরাহ করা মাদকের টাকা এসে দিয়ে যায় প্রভাবশালী পাইকার শির্ষ ব্যবসায়ীকে। প্রতিদিন গড়ে এ রকম শির্ষ প্রভাবশালী পাইকারি মাদক ব্যবসায়ীরা কম করে হলেও দিন শেষে ৩০ থেকে ৪০ লাখ টাকা মাদক বিক্রির টাকা নিয়ে বাসায় ফিরে।

এ সকল শির্ষ মাদক ব্যবসায়ীদের পেছনে রয়েছে আবার  সরকারি রাজনৈতিক দলের শেল্টার। কেউ বা আবার নিজেই রাজনৈতিক সরকার দলীয় কোন অঙ্গ সংগঠনের শির্ষ পর্যায়ের নেতৃত্বে রয়েছেন।

তাদেরই একজন হচ্ছে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সাখাওয়াত হোসেন রানা ওরফে ভাগিনা রানা। মাদকের পাশাপাশি অবৈধ অস্ত্র ব্যবসার সাথে ও তার জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। ২০০৪ সালে ঢাকায় তৎকালীন র‍্যাবের সাথে কথিত বন্দুক যুদ্ধে মারা যায় প্রভাবশালী মহানগর যুবদল নেতা মমিনুুল্লাহ ডেভিড। তার বড় বোনের ছেলে হচ্ছে শাখাওয়াত হোসেন রানা। শহর ও শহরতলীর আশপাশ এলাকায় তাকে ভাগিনা রানা নামেই  পরিচিত। 

অস্ত্র ও মাদক ব্যবসার সাথে ভাগিনা রানার জড়িত থাকার অভিযোগটি বেশ পুরোনো। ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের হাতে একটি প্রাইভেট সহ বিপুল পরিমান ফেনসিডিল নিয়ে আটক হলে অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে সে যাত্রায় রক্ষা পেলেও বিষয়টি অনেকেই জেনে যায়। এর মধ্য দিয়ে সে প্রথম মাদক সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনায় আসে। ২০১৪ সালে জেলার রুপগঞ্জ থানা এলাকায় মাদকের বিশাল চালান নিয়ে গ্রেফতার হয়। নানা দেনদরবারের পরেও রেহাই মেলেনি ভাগিনা রানার। মামলা হয় রুপগঞ্জ থানায়।

এ ঘটনার পর সে আর কখনো দেশের সীমান্তবর্তী স্থান থেকে নিজ গাড়ীতে করে মাদক  নিয়ে আসতোনা। টাকার বিনিময়ে লোক দিয়ে জেলার বন্দর, টানাবাজার, খানপুর,আমলাপাড়া মাছুয়া পাড়া,পাইকপাড়া এলাকায় দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মাদক এনে মজুত করে তা জেলার বিভিন্ন এলাকার  খুচরাব মাদক কারবারিদের নিকট সরবরাহ করতো। একই সাথে চট্রগ্রাম ও কুমিল্লা সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে অস্ত্র এনে পেশাদার অপরাধিদের নিকট বিক্রি করে দিতো। ফলে অপরাধীদের নিকট তার কদর বৃদ্ধি পায়।  হাসিনা সরকারের শাসনামলে ভাগিনা রানার একটি মাদকের চালান বন্দর থানা এলাকায় পুলিশের হাতে আটক হয়। তৎকালীন সময়ে স্থানীয়  দুলাল কমিশনারের বদৌলতে মাদক উদ্ধারের ঘটনায় মামলা হলেও এজাহার থেকে রানার নাম বাদ দেওয়া হয়। 

হাসিনা সরকারের শাসনামলে আত্নগোপনে থেকেও মাদক ব্যাবসা  তার চলমান ছিলো। বন্দর, টানবাজার এবং পাইকপাড়া ও জল্লারপাড় এলাকায় ছিলো তার মাদকের গোডাউন। 

হাসিনা সরকারের পতন হলে জেলা শহরজুড়ে সে মাদকের একক রাজত্ব কায়েম করে। শহরের চানমারী, রেলস্টেশন, আমলাপাড়া,মিশনপাড়া,হকার মার্কেট, চাষারা বালুর মাঠা,জামতলা সহ আশপাশ জুড়ে মাদক বাজােরের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে। চাষাড়া সরকারি তোলারাম কলেজের বিপরীতে ইসদাইর নতুন রাস্তার মাদক বাজার নিয়ন্ত্রণ নিতে গেলে একাধিক প্রতিপক্ষের সাথে দন্ধে জড়িয়ে পরে। এরই মাঝে   ইসদাইর নতুন বাজারস্থ  রানার মালিকানাধীন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে থেকে ফতুল্লা থানা পুলিশ একটি কভার ভ্যানগাড়ী  থেকে ৬০০ বোতল ভারতীয় নিষিদ্ধ  সিরাপ স্কাফ উদ্ধার করে। এসময় আটক করা হয় রানার এক সহোযোগি কে। তবে রানা পুলিশের গাড়ীর উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। এ ঘটনায় পুলিশ রানার খোজে সদর থানার টানবাজার স্থ বাসায় অভিযান চালায়। তবে রানাকে পায়নি পুলিশ। এ বিষয়ে জেলার মহানগর বিএনপির এক শির্ষ নেতা জেলা পুলিশের শির্ষ পর্যায়ের পাশাপাশি থানার কর্তাবাবুকেও মুঠোফোনে ফোন করে রানাকে না জড়ানোর অনুরোধ করে। এ ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই মাদক ব্যবসার স্পট পরিচালনার প্রভাব কে কেন্দ্র করে মাদকের স্পট পরিচালনাকারী মাদক ব্যবসায়ী রাজ্জাক বাহিনীর সাথে সংঘর্ষে জড়ায় রানা। চলতি বছরের মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়ে  মাহফুজুর রহমান শুভ নামের mরাজ্জাক বাহিনীর এক সদস্য রানাকে একটি রিক্সার গ্যারেজর ভিতরে চাপাতি দিয়ে ধাওয়া করে।সেই ঘটনার একটি সিসি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পরে। সিসি ফুটেজে দেখা যায় একটি চাপাতি হাতে রানাকে ধাওয়া করে মাহফুজুর রহমান শুভ।  এর কয়েকদিন পর ২৯ মার্চ সন্ধ্যায়  মাহফুজুর রহমান শুভকে  ইসদাইর রেললাইন এলাকা থেকে একটি অটো রিক্সায় ত ডেকে নেয়। তিনি সেখানে পৌঁছালে আসামিরা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর জখম করে এবং একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। রাতেই মাহফুজুর রহমান শুভ'র মা থানায় এসে লিখিত অভিযোগ করে জানায় যে তার ছেলেকে ভাগিনান রানা ও তার সহোযোগিদের অপহরন করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে গেছে। পুলিশ প্রথমে বিষয়টি আমলে না নিলেও শুভ'র পরিবারের চাপের মুখে পুলিশ রানার নামে অভিযোগ গ্রহণ করে তদন্তে নামে।এর একদিন পর ৩০ মার্চ মাহফুজ রহমান শুভ'র মৃত দেহ উদ্ধার করে রুপগঞ্জ থানা পুলিশ। অজ্ঞাত হিসেবে শুভর লাশ দাফন ও করে ফেলে রুপগঞ্জ থানা পুলিশ। দাফনের একদিন পর ফতুল্লা পুলিশ জানতে পারে রুপগঞ্জ থানা পুলিশ অজ্ঞাত এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে এবং তা দাফনও করে ফেলেছে। পরে পুলিশ শুভর পরিবারের সদস্যদের নিয়ে রুপগঞ্জ থানায় গেলে ছবি এবং লাশের জামা কাপড় দেখে নিশ্চিত হয় এটাই মাহফুজুর রহমান শুভর লাশ। ঘাতক চক্র মাহফুজুর রহমান শুভকে ইসদাইর থেকে অপহরন করে হত্যার পর লাশ সেখানে ফেলে রেখে আসে। এ ঘটনায় শুভর মা বাদী হয়ে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক  শাখাওয়াত হোসেন রানা ওরফে ভাগিনা রানা কে প্রধান আসামী করে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা দায়ের করে।মামলায় যাতে রানা কে আসামী করা না হয় সেজন্য স্ব-শরীরে ফতুল্লা থানায় আসে মহানগর বিএনপির ঐ শির্ষ নেতা। কিন্ত নিহত শুভর

পরিবার তা কোন ভাবেই মেনে নিতে পারছিলোনা।  তাই পুলিশ বাধ্য হয় রানার নামে মামলা নিতে। মামলা হলেও রানা থেকে যায় ধরা ছোয়ার বাইরে। জামিন নেওয়ার পূর্ব পর্যন্ত রানা প্রকাশ্যে খুব একটা বের হতোনা। শুধু মাত্র রাজনৈতিক কর্মসূচীতে তাকে দেখা যেতো। হত্যা মামলায় জামিন নেওয়ার পর রানা প্রকাশ্যে ইসদাইর এলাকায় সদলবলে প্রবেশ করে সেখানকার ছোট বড় সকল মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে বৈঠক করে। এভাবেই সে ধীরে ধীরে ইসদাইর নতুন বাজারের মাদক স্পটগুলোর নিয়ন্ত্রণকর্তা বনে যায়।তবে রাজ্জাক বাহিনী ও সহজে  ছেড়ে দেওয়ার  মতো নয়।তারা হঠাৎ করে এলাকায় এসে তাদের প্রতিপক্ষদের ওপর হামলা চালিয়ে চলে যেতো। রাজ্জাক বাহিনীর বিরুদ্ধে দুটি গুম ও খুনের মামলা থাকায় পুলিশ ও তাদের গ্রেফতারে মরিয়া হয়ে মাঠে নামে। রাজ্জাক বাহিনীর   একের পর এক সদস্য পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়। সবশেষে বন্দর থেকে পুলিশ পুত্র সহ  রাজ্জাক কে গ্রেফতার করে। রানা ফাকা মাঠ পেয়ে সেলিম নামের এক বিএনপি নেতাকে ব্যবহার করে ইসদাই নতুন  বাজার গলির মাদক ব্যবসার একক আধিপত্য বিস্তার করে। ছোট বড় সকল মাদক ব্যবসায়ীকে বাধ্য করা হয় রানার লোকজনের নিকট থেকে মাদক ক্রয় করতে। একাধিক সূত্র মতে নারায়নগঞ্জের ছোর বড় প্রায় অর্ধশতাধিক মাদক ব্যবসায়ী রানার নিকট  থেকে পাইকারি মূল্যে চাহিদানুযায়ী মাদক ক্রয় করে তা মাদক সেবীদের নিকট বিক্রি করে। নারায়নগঞ্জ জেলায় কর্মরত রানার মাদক ব্যবসার বিষয়ে অবগত থাকলেও রাজনৈতিক শেল্টারের কারনে এবং মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের শির্ষ পদধারী নেতা হওয়ার কারনে তাকে রিকভারি ছাড়া গ্রেফতার করার সাহস করছেনা। 

একাধিক তথ্য মতে,জেলার শহর ও শহরতলীর সদর মডেল থানা,ফতুল্লা মডেল থানা,সিদ্ধিরগঞ্জ থানা এলাকায় রাজনৈতিক আশ্রয় পশ্রয়ে বা সরকারদলীয় অঙ্গসংগঠনের পদ ব্যবহার করে পর্দার অন্তরালে থেকে মাদক কারবারে সক্রিয় থেকে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা উপার্জন করছে তাদের সংখ্যা ও নেহায়েত কমনা। পর্দার অন্তরালে থেকে প্রতক্ষ্য বা পরোক্ষ ভাবে সরকারদলীয় সাইবোর্ড ব্যবহার করে যে সকল।পদধারী নেতারা মাদকের বড় বড় স্পটে মাদক সরবরাহ বাপরিচালনা করে আসছে তাদের মধ্যে অন্যতমরা হলো জেলা তাতি দলের সাংগঠনিক সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান উজ্জল ও তার ছোট ভাই সম্রাট,জেলা কৃষকমদলের যুগ্ম আহবায়ক বক্তাবলীর ইদ্রিস আলী ওরফ দৈত্য ইদ্রিস,ফতুল্লা থানা কৃষক দলের সিনিয়র সহ সভাপতি আলী গঞ্জের ইব্রাহিম হোসেন এবং  ভুইগড়-সাইনবোর্ড এলাকায় বসে  জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফতুল্লা থানা ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক মেহেদী হাসান দোলন এক শির্ষ মাদক ব্যবসায়ীর সাথে যৌথভাবে মাদক ব্যবসা  পরিচালনা করে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অপরদিকপ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদক নাজমুল হাসান বাবুর বিরুদ্ধে ও মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তবে তাতি দল নেতা সিদ্দিকুর রহমান উজ্জল, জেলা কৃষক দল নেতা ইদ্রিস আলী, ফতুল্লার কৃষক দল নেতা ইব্রাহিম হোসেন,জেলা স্বেচ্ছাসেআক দল নেতা নাজমুল হাসান বাবুর বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার বিষয়টি বেশ পুরোনো। রয়েছে যথেস্ট তথ্য প্রমাণ। তবে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত  ছাত্রদল নেতা  মেহেদী হাসান দোলনের নাম সাম্প্রতিক সময়ে তথ্য,প্রমান সহ  আলোচনায়  উঠে এসেছে। সে নিজে ও প্রতিনিয়ত মাদক সেবনে অভ্যস্ত বলে একাধিক সূ্ত্র নিশ্চিত করেছে। এক সময় শুধু গাঁজা সেবনে অভ্যস্ত ছিলো। গত এক বছরেরও অধিক সময়য় ধরে সে গাজার পাশাপাশি ফেনসিডিল ও ইয়াবা ট্যাবলেট সেবনে আসক্ত হয়ে পরেছে বলে সূত্রটি জানায়।

সচেতন নাগরিকদের মতে, মাদকবিরোধী অভিযানে শুধু পাড়া-মহল্লার খুচরা বিক্রেতা ও সেবনকারীদের গ্রেপ্তার করলে মাদকের সরবরাহব্যবস্থা পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব নয়। সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মাদক কীভাবে নারায়ণগঞ্জে ঢুকছে, কারা তা সংগ্রহ করছে, কারা মজুত করছে এবং কারা বিভিন্ন স্পটে সরবরাহ করছে—এসব বিষয় তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন।

তাদের মতে, রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাব বিবেচনায় না নিয়ে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া দরকার। তদন্তে কারও সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হলে মাদকের সরবরাহব্যবস্থায় বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।

নারায়ণগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযান কার্যকর করতে হলে তাই শুধু দৃশ্যমান খুচরা বিক্রেতাদের গ্রেপ্তার নয়, মাদকের অর্থের উৎস, সরবরাহের পথ, মজুতের স্থান এবং মূল অর্থদাতা ও সরবরাহকারীদের শনাক্ত করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।




সারা নারায়ণগঞ্জ

সম্পাদকঃ হাসান মাহমুদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
নাঃগঞ্জ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা "রানা" মাদকের অঘোষিত গডফাদার
0:00 / 0:00
1x