সারা নারায়ণগঞ্জ

মাসদাইরে সাংবাদিক কে মারধর করে এক যুবক কে তুলে নেওয়ার অভিযোগ যুবদল নেতার ভাগিনার বিরুদ্ধে



মাসদাইরে সাংবাদিক কে মারধর করে এক যুবক কে তুলে নেওয়ার অভিযোগ  যুবদল নেতার ভাগিনার বিরুদ্ধে
সাংবাদিককে মারধর করে এক যুবককে তুলে নেয়ার ৫ ঘন্টা পর মুক্তি


নিজস্ব প্রতিবেদক 

নারায়নগঞ্জের মাসদাইরে প্রকাশ্য দিবালোকে  ফতুল্লা থানা সৈনিক লীগের সভাপতি নিহত মোকলেসুর রহমানের পুত্র ও জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনির ভাগিনা রিফাত ও সহোয়োগি সালামের নেতৃত্বে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সাাগর (৩২)নামের এক যুবককে মারধর করে প্রাইভেট কারে করে তুলে নেওয়ার অলদললরভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় বন্ধু সাগর কে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে ছাত্র ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি  ফারহানা মানিক মুনার স্বামী ও গণমাধ্যম কর্মী গোলাম রাব্বানি শিমুলকে ও মারধর করে। এক পর্যায়ে গলায় ছুরি ঠেকিয়ে হত্যা করার ভয় দেখিয়ে বন্ধু সাগর কে মারতে মারতে টেনে হিচড়ে প্রাইভেট কারে তুলে বিসিক শিল্প নগরীর একটি কারখানায় আটকে রাখে । বিষয়টি জানাজানি হলে আটকের ৫ ঘন্টা পর  রাত সাড়ে নয়টার দিকে তুলে নেওয়া যুবক কে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে রোবাবার বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে ফতুল্লার মাসদাইর অক্টোঅফিসস্থ বাংলা ভবন সংলগ্ন নিঝুম আবাসিক  সোসাইটির প্রথম গেইটে।

প্রতক্ষদর্শীদের বর্ণনা মতে, বিকেল আনুমানিক সাড়ে চারটার দিকে বাংলা ভবন সংলগ্ন নিঝুম আবাসিক  সোসাইটির প্রথম গেইট দিয়ে বের হওয়া মাত্র সড়কের উপর দাড় করানো একটি প্রাইভেট কার থেকে ৪-৫ জন নেমে তাদরেকে মারধর শুরু করে। এ সময় এক যুবক নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিলে তাকে ছেড়ে দিয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে  অপর যুবককে টেনে হিচড়ে প্রাইভেট কারে তোলার করে। এ সময় সাংবাদিক পরিচয়দানকারী ঐ যুবক সহোায়োগিকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তার গলায় ছুরি ঠেকিয়ে দিয়ে অপর যুবককে প্রাইভেট কারে তুলে নিয়ে যায়। ঘটনাটি আশপাশের অনেকে দেখলেও সাহাযার্থে কেউ এগিয়ে আসেনি। প্রাইভেট কার চলে যাওয়ার পর  ঐ সাংবাদিকের নিকট স্থানীয় পথচারিরা এগিয়ে যান।  প্রতক্ষদর্শীদের মতে প্রাইভেট কারে থাকা কয়েকজনের মধ্য একজন হচ্ছে জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান

য় ভাগিনা এবং রনির ঘনিস্ঠ আস্থাভাজন সালাম। অপরদের ঠিকমতো চিনতে পারেনি। ঘটনার পরপরই সাংবাদিক পরিচয়দানকারী যুবক পুলিশের উধ্বতন কোন এক কর্মকর্তা কে বিষয়টি জানান। একই সাথে একাধিক সাংবাদিক সহ রনিকে ও বিষয়টি জানান।

ঘটনার পরপরই বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীদের কানে বিষয়টি পৌছালে তারা শিমুল কে নিয়ে থানায় যান এবং একটি অভিযোগ ও লিখেন। কিন্ত থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সহ থানা পুলিশের কর্মকর্তারা অপর একটি বিশেষ অভিযানে থাকায় তারা অভিযোগ জমা না দিয়ে তুলে নেওয়া যুবককে  উদ্ধারে  বিভিন্ন জনের দ্ধারস্থ হয়ে চেস্টা করেন। এক পর্যায়ে রাত সাড়ে নয়টার দিকে তুলে নেওয়া যুবক সাগর কে ছেড়ে দেয়। 

জানা যায়,ঘটনার পরপরই শিমুল মুঠোফোনে জেলা পুলিশ সুপারকে বিষয়টি অবগত করেন।  একই সাথে তিনি জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমানকে ও অবগত করেন।ঘটনাটি রনি দেখার কথা বললেও প্রকৃত পক্ষে সে কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেন নি। পরবর্তীতে সাড়ে  পাচঁ ঘন্টা পর প্রশাসনের হস্তক্ষেপে সাগর কে  রাত সাড়ে নয়টায় দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়। অক্টোঅফিস থেকে সাগর কে তুলে নিয়ে বিসিকের একটি কারখানায় আটকে রাখা হয়েছিলো। সে বিষয়ে ও  প্রশাসনকে অবগত করা হয়েছিলো তারপরও রহস্য জনক কারনে  সেখানে অভিযান পরিচালনা করেনি প্রশাসন।

 এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহাবুবু আলম জানান,সাগরের সাথে টাকা লেনদেনের একটা বিষয় ছিলো এক মেল মালিকের। সে কারনে ঘটনাটি ঘটে। তবে তুলে নিয়ে  মারধর করে আটকে রাখারো বিষয়টি গুরতর অপরাধ। এ বিষয়ে  অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি খুবই গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। যারাই ঘটনাটা ঘটিয়েছে তাদের কে আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি জানান।



 


আপনার মতামত লিখুন

সারা নারায়ণগঞ্জ

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬


মাসদাইরে সাংবাদিক কে মারধর করে এক যুবক কে তুলে নেওয়ার অভিযোগ যুবদল নেতার ভাগিনার বিরুদ্ধে

প্রকাশের তারিখ : ১২ অক্টোবর ২০২৬

featured Image


নিজস্ব প্রতিবেদক 

নারায়নগঞ্জের মাসদাইরে প্রকাশ্য দিবালোকে  ফতুল্লা থানা সৈনিক লীগের সভাপতি নিহত মোকলেসুর রহমানের পুত্র ও জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনির ভাগিনা রিফাত ও সহোয়োগি সালামের নেতৃত্বে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সাাগর (৩২)নামের এক যুবককে মারধর করে প্রাইভেট কারে করে তুলে নেওয়ার অলদললরভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় বন্ধু সাগর কে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে ছাত্র ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি  ফারহানা মানিক মুনার স্বামী ও গণমাধ্যম কর্মী গোলাম রাব্বানি শিমুলকে ও মারধর করে। এক পর্যায়ে গলায় ছুরি ঠেকিয়ে হত্যা করার ভয় দেখিয়ে বন্ধু সাগর কে মারতে মারতে টেনে হিচড়ে প্রাইভেট কারে তুলে বিসিক শিল্প নগরীর একটি কারখানায় আটকে রাখে । বিষয়টি জানাজানি হলে আটকের ৫ ঘন্টা পর  রাত সাড়ে নয়টার দিকে তুলে নেওয়া যুবক কে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে রোবাবার বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে ফতুল্লার মাসদাইর অক্টোঅফিসস্থ বাংলা ভবন সংলগ্ন নিঝুম আবাসিক  সোসাইটির প্রথম গেইটে।

প্রতক্ষদর্শীদের বর্ণনা মতে, বিকেল আনুমানিক সাড়ে চারটার দিকে বাংলা ভবন সংলগ্ন নিঝুম আবাসিক  সোসাইটির প্রথম গেইট দিয়ে বের হওয়া মাত্র সড়কের উপর দাড় করানো একটি প্রাইভেট কার থেকে ৪-৫ জন নেমে তাদরেকে মারধর শুরু করে। এ সময় এক যুবক নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিলে তাকে ছেড়ে দিয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে  অপর যুবককে টেনে হিচড়ে প্রাইভেট কারে তোলার করে। এ সময় সাংবাদিক পরিচয়দানকারী ঐ যুবক সহোায়োগিকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তার গলায় ছুরি ঠেকিয়ে দিয়ে অপর যুবককে প্রাইভেট কারে তুলে নিয়ে যায়। ঘটনাটি আশপাশের অনেকে দেখলেও সাহাযার্থে কেউ এগিয়ে আসেনি। প্রাইভেট কার চলে যাওয়ার পর  ঐ সাংবাদিকের নিকট স্থানীয় পথচারিরা এগিয়ে যান।  প্রতক্ষদর্শীদের মতে প্রাইভেট কারে থাকা কয়েকজনের মধ্য একজন হচ্ছে জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান

য় ভাগিনা এবং রনির ঘনিস্ঠ আস্থাভাজন সালাম। অপরদের ঠিকমতো চিনতে পারেনি। ঘটনার পরপরই সাংবাদিক পরিচয়দানকারী যুবক পুলিশের উধ্বতন কোন এক কর্মকর্তা কে বিষয়টি জানান। একই সাথে একাধিক সাংবাদিক সহ রনিকে ও বিষয়টি জানান।

ঘটনার পরপরই বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীদের কানে বিষয়টি পৌছালে তারা শিমুল কে নিয়ে থানায় যান এবং একটি অভিযোগ ও লিখেন। কিন্ত থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সহ থানা পুলিশের কর্মকর্তারা অপর একটি বিশেষ অভিযানে থাকায় তারা অভিযোগ জমা না দিয়ে তুলে নেওয়া যুবককে  উদ্ধারে  বিভিন্ন জনের দ্ধারস্থ হয়ে চেস্টা করেন। এক পর্যায়ে রাত সাড়ে নয়টার দিকে তুলে নেওয়া যুবক সাগর কে ছেড়ে দেয়। 

জানা যায়,ঘটনার পরপরই শিমুল মুঠোফোনে জেলা পুলিশ সুপারকে বিষয়টি অবগত করেন।  একই সাথে তিনি জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমানকে ও অবগত করেন।ঘটনাটি রনি দেখার কথা বললেও প্রকৃত পক্ষে সে কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেন নি। পরবর্তীতে সাড়ে  পাচঁ ঘন্টা পর প্রশাসনের হস্তক্ষেপে সাগর কে  রাত সাড়ে নয়টায় দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়। অক্টোঅফিস থেকে সাগর কে তুলে নিয়ে বিসিকের একটি কারখানায় আটকে রাখা হয়েছিলো। সে বিষয়ে ও  প্রশাসনকে অবগত করা হয়েছিলো তারপরও রহস্য জনক কারনে  সেখানে অভিযান পরিচালনা করেনি প্রশাসন।

 এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহাবুবু আলম জানান,সাগরের সাথে টাকা লেনদেনের একটা বিষয় ছিলো এক মেল মালিকের। সে কারনে ঘটনাটি ঘটে। তবে তুলে নিয়ে  মারধর করে আটকে রাখারো বিষয়টি গুরতর অপরাধ। এ বিষয়ে  অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি খুবই গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। যারাই ঘটনাটা ঘটিয়েছে তাদের কে আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি জানান।



 



সারা নারায়ণগঞ্জ

সম্পাদকঃ হাসান মাহমুদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
মাসদাইরে সাংবাদিক কে মারধর করে এক যুবক কে তুলে নেওয়ার অভিযোগ যুবদল নেতার ভাগিনার বিরুদ্ধে
0:00 / 0:00
1x