ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক ও এক্সে ছড়িয়ে পড়া গুজব, অপতথ্য ও সাইবার হুমকি শনাক্তে নতুন সাইবার পুলিশ ইউনিট গঠন করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। পাশাপাশি ডার্ক ওয়েব, ক্রিপ্টোকারেন্সি, অনলাইন প্রতারণা, ফিশিং ও ডিজিটাল আর্থিক অপরাধও নজরদারিতে থাকবে।
১ অক্টোবর পুলিশ সদর দপ্তরে ইউনিটটির উদ্বোধন করা হয়। ৪ হাজার ৫৯২ জনবলের এ ইউনিটের নেতৃত্বে থাকবেন একজন অতিরিক্ত আইজিপি। বিভাগ ও জেলা পর্যায়ের পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি থানায় চালু হবে ‘সাইবার ডেস্ক’।
নতুন ইউনিট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্য যাচাই, ‘ফ্যাক্ট চেক’ ও প্রয়োজন অনুযায়ী ‘কাউন্টার ন্যারেটিভ’ তৈরির কাজ করবে। এআই ও মুখ শনাক্তকরণ প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভিডিও ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের পরিকল্পনাও রয়েছে।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোন তথ্য ‘অপতথ্য’ এবং কোন বক্তব্য ‘উসকানিমূলক’—তা নির্ধারণে স্পষ্ট ও স্বচ্ছ মানদণ্ড প্রয়োজন। বৈধ মতপ্রকাশ যাতে নজরদারি বা হয়রানির শিকার না হয়, সেজন্য আইনি সুরক্ষা, অনুমোদন প্রক্রিয়া ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।
সাইবার তদন্তে দক্ষ জনবল ও ডিজিটাল ফরেনসিক সক্ষমতা বাড়ানোকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ ডিজিটাল প্রমাণ সংগ্রহের পাশাপাশি তা সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও আদালতে উপস্থাপনেও বিশেষ দক্ষতা প্রয়োজন।
নতুন ইউনিটের জন্য ২ হাজার ৬৭টি যানবাহনের চাহিদা এবং প্রায় ৪৪৭ কোটি ৭০ লাখ টাকার ব্যয় পরিকল্পনা রয়েছে।

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক ও এক্সে ছড়িয়ে পড়া গুজব, অপতথ্য ও সাইবার হুমকি শনাক্তে নতুন সাইবার পুলিশ ইউনিট গঠন করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। পাশাপাশি ডার্ক ওয়েব, ক্রিপ্টোকারেন্সি, অনলাইন প্রতারণা, ফিশিং ও ডিজিটাল আর্থিক অপরাধও নজরদারিতে থাকবে।
১ অক্টোবর পুলিশ সদর দপ্তরে ইউনিটটির উদ্বোধন করা হয়। ৪ হাজার ৫৯২ জনবলের এ ইউনিটের নেতৃত্বে থাকবেন একজন অতিরিক্ত আইজিপি। বিভাগ ও জেলা পর্যায়ের পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি থানায় চালু হবে ‘সাইবার ডেস্ক’।
নতুন ইউনিট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্য যাচাই, ‘ফ্যাক্ট চেক’ ও প্রয়োজন অনুযায়ী ‘কাউন্টার ন্যারেটিভ’ তৈরির কাজ করবে। এআই ও মুখ শনাক্তকরণ প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভিডিও ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের পরিকল্পনাও রয়েছে।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোন তথ্য ‘অপতথ্য’ এবং কোন বক্তব্য ‘উসকানিমূলক’—তা নির্ধারণে স্পষ্ট ও স্বচ্ছ মানদণ্ড প্রয়োজন। বৈধ মতপ্রকাশ যাতে নজরদারি বা হয়রানির শিকার না হয়, সেজন্য আইনি সুরক্ষা, অনুমোদন প্রক্রিয়া ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।
সাইবার তদন্তে দক্ষ জনবল ও ডিজিটাল ফরেনসিক সক্ষমতা বাড়ানোকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ ডিজিটাল প্রমাণ সংগ্রহের পাশাপাশি তা সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও আদালতে উপস্থাপনেও বিশেষ দক্ষতা প্রয়োজন।
নতুন ইউনিটের জন্য ২ হাজার ৬৭টি যানবাহনের চাহিদা এবং প্রায় ৪৪৭ কোটি ৭০ লাখ টাকার ব্যয় পরিকল্পনা রয়েছে।

Safari-র নিচের Share (⬆) বাটনে চাপুন, তারপর "Add to Home Screen" বেছে নিন।
আপনার মতামত লিখুন