নারায়নগঞ্জ শহর ও শহরতলীর আশপাশ থানা এলাকাজুড়ে যে ক'জন শির্ষ মাদক ব্যবসায়ী রয়েছে তাদের মধ্যে অন্যতম ইব্রাহিম ওরফে "ডিলার ইব্রাহিম"।
দেড় দশকের বেশী সময় ধরে জেলা শহরের দক্ষিণাঞ্চলের বিশেষ করে সৈয়দপুর,গোগনগর,কাশিপুর,মুসলিমনগর,নিতাইগঞ্জ সহ আশাপাশ এলাকাজুড়ে মাদকের বিশাল বাজার সিন্ডেকট গড়ে তুলে নির্বঘ্নে মাদক ব্যবসা করে আসলে পুলিশের জালে আটক হয়েছে মাত্র একবার। ধুরন্ধর সুচতুর এই শির্ষ মাদক ব্যবসায়ী গত দেড় দশকে মাদক ব্যবসা করে টাকার পাহাড় গড়ে তুলেছে। কোটি কোটি টাকার মালিক বনে যাওয়া ইব্রাহিম তার নামের পেছনে "ডিলার ইব্রাহিম " বা "শির্ষ মাদক ব্যবসায়ীর" তকমা থেকে মুক্তি পেতে বিএনপির অঙ্গসংগঠন কৃষকদলে নাম লেখায়। বিপুল পরিমান টাকা ব্যায় করে ফতুল্লা থানা কৃষক দলের যুগ্ম আহবায়কের পদ বাগিয়ে নেন। কেন্দ্রীয় শির্ষ নেতাদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে ফটোশেসন করে তা দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি গণমাধ্যমগুলোতে প্রচার করান। এ নিয়ে তার বিরুদ্ধে একাধিক গণ্যমাধ্যমে শির্ষ মাদক ব্যবসায়ীর তকমা লাগিয়ে তার বিরুদ্ধে সংবাদ ও প্রচার করা হয। এতে তিনি বলে বেড়ান যে মানুষ কে ভালো হওয়ার সুযোগ করে দেওয়া উচিত। তখন সবাই হয়তো ভেবেছিলো মাদক ব্যবসা ছেড়ে সুস্থ ধারায় ফিরে আসলে সমাজের জন্য ভালো কিছু বয়ে আনবে। মাদক ব্যবসা ছেড়ে দেওয়ার কথাগুলো ছিলো শুধুই কথার কথা।
"চোরে না শুনে ধর্মের কাহিনী" অল্প পুজি অধিক লাভে নগদ টাকার মোহে সে বেরিয়ে আসতে পারেনি মাদক ব্যবসা থেকে। রাজনীতি এবং মাদক ব্যবসা দুটোই চালিয়ে যাচ্ছে সমান্তরালে। রাজনীতির ট্যাগ লাগার পূর্বে তাকে প্রশাসনের প্রতিটি বিভাগ হন্য হয়ে খুজলেও তাকে সহজেই পাওয়া যেতোনা।যদিও বা কোন বাহিনীর সদস্যরা তাকে আটক করলেও মোটা অর্থের বিনিময়ে ঘটনাস্থল থেকেই তিনি মুক্তি পেতেন।
এক সময় তিনি সদর থানার সৈয়দপুর এলাকায় বসবাস করতেন। স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে দন্ধ ও প্রশাসনের চাপের মুখে সে আলীগঞ্জ এলাকায় এসে বসবাস শুরু করে। পূর্বের ক্রয়কৃত জমিতে একটি বহতল ভবন গড়ে তোলো। নারায়নগঞ্জ প্রশাসন শির্ষ এই মাদক বিক্রেতা কে শহরজুড়ে তন্ন তন্ন করে খুঁজে ফিরলেও তার টিকটিকির নাগাল কেউ পয়ানি। কিন্ত তার মাদক ব্যবসা ঠিকই পরিচালিত হতো। মাদক ব্যবসা পরিচালনায় তার ৮-১০ জন বিশ্বস্ত লোক ছিলো। তাদের কারো কাজ ছিলো মাদক সরবরাহ করা আর কারো কাজ ছিলো সন্ধ্যার পর গিয়ে মাদক বিক্রির টাকা নিয়ে আসা। অপরদিকে আলীগঞ্জ এলাকায় এসেও সে গড়ে তোলে মাদকের এক বিশাল সিন্ডিকেট। স্থানীয় ও বহিরাগত সব আলোচিত মাদক ব্যবসায়ীদের নিয়ে এই সিন্ডেকেট গড়ে তোলা হয়। সিন্ডিকেটের মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্যরা হলো কেরানীগঞ্জ পানগাওয়ের শফিক, আলীগঞ্জের হানজাল,কবির, জমিদার সহ আরো একাধিক পরিচিত মুখ। হানজালার মাছের খামার কে ঘিরেই প্রতিদিন বসে মাদকের আড্ডা। এব এখান থেকেই মাদক ব্যবসা পরিচালতি হচ্ছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
হাসিনা সরকারের পতনের পর ভোল্ট পাল্টে তিনি বিএনপির অঙ্গসংগঠন কৃষক দলের নেতা বনে যান। মাসদাইর এবং ফতুল্লার দুটি গ্রুপের সাথে সমানতালে যোগাযোগ রেখে বিপুল পরিমান অর্থ ব্যায় করে সবাইকে অবাক করে দিয়ে ফতুল্লা থানা কৃষক দলের যুগ্ম আহবায়ক পদে অধিষ্ঠিত হোন। সাধারন মানুষ থেকে শুরু করে সকলেই হতভম্ব পরেন। তার মতো একজন শির্ষ মাদক ব্যবসায়ী কি করে এই গুরুত্বপূর্ণ পদ লাভ করে। এমনকি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জমিয়তে ইসলামের মাওলানা মনির হোসাইন কাসেমী তার বাড়ীতে গিয়ে দুপুরের খাবার খায়।
জেলা কিংবা থানা প্রতিটি মিছিল মিটিংয়ের অর্থের জোগানদাতা হয়ে উঠেন তিনি। রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠা লাভের পাশাপাশি মাদক ব্যাবসা ও চলছিলো তার বেশ ভালো ভাবেই। নারায়ণগঞ্জ জেলা বহু সংখ্যক মাদক স্পট সহ জেলার বাইরেও মাদক সরবরাহ করে ব্যবসার পরিধি বাড়ায়। মাদক সরবরাহ করতে গিয়ে তার কোন লোক আটক বা গ্রেফতার হলে তদ্ধবির করে টাকার বিনিময়ে সে নিজেই ছাড়িয়ে নিয়ে আসতো। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এলে সে আরো বেপোরোয়া হয়ে উঠে। মাদকের পাশাপাশি এবার ঝুট সেক্টর নিয়ন্ত্রণ গ্রহনে বিসিক শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রভাব বিস্তারের চেস্টা করে। এরই মাঝে ফতুল্লা থানা কর্মী সম্মেলন।হলে কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে তার রাজনৈতিক গুরু জুয়েল আরমান কে সভাপতি এবং সুমন কে সাধারন সম্পাদক ও ইব্রাহিম কে সিনিয়র সহ সভাপতি করে পাচ সদস্য বিষিস্ট একটি কমিটি ঘোষনা করা হয়।
কেন্দ্রীয় কৃষক দল নেতাদের এমন লজ্জাজনক ভুমীকায় সকলেই সমালোচনা করতে শুরু করে। ইব্রাহিম হয়তো ভেবেছিলেন রাজনীতিতে নাম লেখালেই পার পেয়ে যাবেন। প্রশাসন তাকে গ্রেফতার করবেনা। কিন্ত প্রশাসনের বিভিন্ন সংস্থা তার বিষয়ে গোপনে খোঁজ নিচ্ছে তা হয়তো তিনি বুজতে বা জানতে পারেন নি।মাদক ব্যবসায় যে সে এখনো সক্রিয় রয়েছে তা প্রশাসনের প্রতিটি বিভাগ,সংস্থাগুলো বেশ ভালো ভাবেই টের পেয়েছে। আলীগঞ্জে এলাকার হানজালা,কবির,কেরানীগঞ্জের শফিক, জমিদার কে নিয়ে মাদক ব্যবসা করছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
স্থানীয় সচেতন মহলগুলোর মতে, রাজনীতি কে পুঁজি করে মাদক ব্যবসায় যারাই জড়িত থাকুক না কেনো তারা যেমন দলের ভালো চায়না তেমন দেশের ভালো চায়না। রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকা রাঘব বোয়ালদের গ্রেফতার করা গেলেই সমাজ থেকে মাদকের প্রভাব অনেকাংশেই কমে যাবে।

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ অক্টোবর ২০২৬
নারায়নগঞ্জ শহর ও শহরতলীর আশপাশ থানা এলাকাজুড়ে যে ক'জন শির্ষ মাদক ব্যবসায়ী রয়েছে তাদের মধ্যে অন্যতম ইব্রাহিম ওরফে "ডিলার ইব্রাহিম"।
দেড় দশকের বেশী সময় ধরে জেলা শহরের দক্ষিণাঞ্চলের বিশেষ করে সৈয়দপুর,গোগনগর,কাশিপুর,মুসলিমনগর,নিতাইগঞ্জ সহ আশাপাশ এলাকাজুড়ে মাদকের বিশাল বাজার সিন্ডেকট গড়ে তুলে নির্বঘ্নে মাদক ব্যবসা করে আসলে পুলিশের জালে আটক হয়েছে মাত্র একবার। ধুরন্ধর সুচতুর এই শির্ষ মাদক ব্যবসায়ী গত দেড় দশকে মাদক ব্যবসা করে টাকার পাহাড় গড়ে তুলেছে। কোটি কোটি টাকার মালিক বনে যাওয়া ইব্রাহিম তার নামের পেছনে "ডিলার ইব্রাহিম " বা "শির্ষ মাদক ব্যবসায়ীর" তকমা থেকে মুক্তি পেতে বিএনপির অঙ্গসংগঠন কৃষকদলে নাম লেখায়। বিপুল পরিমান টাকা ব্যায় করে ফতুল্লা থানা কৃষক দলের যুগ্ম আহবায়কের পদ বাগিয়ে নেন। কেন্দ্রীয় শির্ষ নেতাদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে ফটোশেসন করে তা দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি গণমাধ্যমগুলোতে প্রচার করান। এ নিয়ে তার বিরুদ্ধে একাধিক গণ্যমাধ্যমে শির্ষ মাদক ব্যবসায়ীর তকমা লাগিয়ে তার বিরুদ্ধে সংবাদ ও প্রচার করা হয। এতে তিনি বলে বেড়ান যে মানুষ কে ভালো হওয়ার সুযোগ করে দেওয়া উচিত। তখন সবাই হয়তো ভেবেছিলো মাদক ব্যবসা ছেড়ে সুস্থ ধারায় ফিরে আসলে সমাজের জন্য ভালো কিছু বয়ে আনবে। মাদক ব্যবসা ছেড়ে দেওয়ার কথাগুলো ছিলো শুধুই কথার কথা।
"চোরে না শুনে ধর্মের কাহিনী" অল্প পুজি অধিক লাভে নগদ টাকার মোহে সে বেরিয়ে আসতে পারেনি মাদক ব্যবসা থেকে। রাজনীতি এবং মাদক ব্যবসা দুটোই চালিয়ে যাচ্ছে সমান্তরালে। রাজনীতির ট্যাগ লাগার পূর্বে তাকে প্রশাসনের প্রতিটি বিভাগ হন্য হয়ে খুজলেও তাকে সহজেই পাওয়া যেতোনা।যদিও বা কোন বাহিনীর সদস্যরা তাকে আটক করলেও মোটা অর্থের বিনিময়ে ঘটনাস্থল থেকেই তিনি মুক্তি পেতেন।
এক সময় তিনি সদর থানার সৈয়দপুর এলাকায় বসবাস করতেন। স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে দন্ধ ও প্রশাসনের চাপের মুখে সে আলীগঞ্জ এলাকায় এসে বসবাস শুরু করে। পূর্বের ক্রয়কৃত জমিতে একটি বহতল ভবন গড়ে তোলো। নারায়নগঞ্জ প্রশাসন শির্ষ এই মাদক বিক্রেতা কে শহরজুড়ে তন্ন তন্ন করে খুঁজে ফিরলেও তার টিকটিকির নাগাল কেউ পয়ানি। কিন্ত তার মাদক ব্যবসা ঠিকই পরিচালিত হতো। মাদক ব্যবসা পরিচালনায় তার ৮-১০ জন বিশ্বস্ত লোক ছিলো। তাদের কারো কাজ ছিলো মাদক সরবরাহ করা আর কারো কাজ ছিলো সন্ধ্যার পর গিয়ে মাদক বিক্রির টাকা নিয়ে আসা। অপরদিকে আলীগঞ্জ এলাকায় এসেও সে গড়ে তোলে মাদকের এক বিশাল সিন্ডিকেট। স্থানীয় ও বহিরাগত সব আলোচিত মাদক ব্যবসায়ীদের নিয়ে এই সিন্ডেকেট গড়ে তোলা হয়। সিন্ডিকেটের মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্যরা হলো কেরানীগঞ্জ পানগাওয়ের শফিক, আলীগঞ্জের হানজাল,কবির, জমিদার সহ আরো একাধিক পরিচিত মুখ। হানজালার মাছের খামার কে ঘিরেই প্রতিদিন বসে মাদকের আড্ডা। এব এখান থেকেই মাদক ব্যবসা পরিচালতি হচ্ছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
হাসিনা সরকারের পতনের পর ভোল্ট পাল্টে তিনি বিএনপির অঙ্গসংগঠন কৃষক দলের নেতা বনে যান। মাসদাইর এবং ফতুল্লার দুটি গ্রুপের সাথে সমানতালে যোগাযোগ রেখে বিপুল পরিমান অর্থ ব্যায় করে সবাইকে অবাক করে দিয়ে ফতুল্লা থানা কৃষক দলের যুগ্ম আহবায়ক পদে অধিষ্ঠিত হোন। সাধারন মানুষ থেকে শুরু করে সকলেই হতভম্ব পরেন। তার মতো একজন শির্ষ মাদক ব্যবসায়ী কি করে এই গুরুত্বপূর্ণ পদ লাভ করে। এমনকি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জমিয়তে ইসলামের মাওলানা মনির হোসাইন কাসেমী তার বাড়ীতে গিয়ে দুপুরের খাবার খায়।
জেলা কিংবা থানা প্রতিটি মিছিল মিটিংয়ের অর্থের জোগানদাতা হয়ে উঠেন তিনি। রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠা লাভের পাশাপাশি মাদক ব্যাবসা ও চলছিলো তার বেশ ভালো ভাবেই। নারায়ণগঞ্জ জেলা বহু সংখ্যক মাদক স্পট সহ জেলার বাইরেও মাদক সরবরাহ করে ব্যবসার পরিধি বাড়ায়। মাদক সরবরাহ করতে গিয়ে তার কোন লোক আটক বা গ্রেফতার হলে তদ্ধবির করে টাকার বিনিময়ে সে নিজেই ছাড়িয়ে নিয়ে আসতো। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এলে সে আরো বেপোরোয়া হয়ে উঠে। মাদকের পাশাপাশি এবার ঝুট সেক্টর নিয়ন্ত্রণ গ্রহনে বিসিক শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রভাব বিস্তারের চেস্টা করে। এরই মাঝে ফতুল্লা থানা কর্মী সম্মেলন।হলে কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে তার রাজনৈতিক গুরু জুয়েল আরমান কে সভাপতি এবং সুমন কে সাধারন সম্পাদক ও ইব্রাহিম কে সিনিয়র সহ সভাপতি করে পাচ সদস্য বিষিস্ট একটি কমিটি ঘোষনা করা হয়।
কেন্দ্রীয় কৃষক দল নেতাদের এমন লজ্জাজনক ভুমীকায় সকলেই সমালোচনা করতে শুরু করে। ইব্রাহিম হয়তো ভেবেছিলেন রাজনীতিতে নাম লেখালেই পার পেয়ে যাবেন। প্রশাসন তাকে গ্রেফতার করবেনা। কিন্ত প্রশাসনের বিভিন্ন সংস্থা তার বিষয়ে গোপনে খোঁজ নিচ্ছে তা হয়তো তিনি বুজতে বা জানতে পারেন নি।মাদক ব্যবসায় যে সে এখনো সক্রিয় রয়েছে তা প্রশাসনের প্রতিটি বিভাগ,সংস্থাগুলো বেশ ভালো ভাবেই টের পেয়েছে। আলীগঞ্জে এলাকার হানজালা,কবির,কেরানীগঞ্জের শফিক, জমিদার কে নিয়ে মাদক ব্যবসা করছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
স্থানীয় সচেতন মহলগুলোর মতে, রাজনীতি কে পুঁজি করে মাদক ব্যবসায় যারাই জড়িত থাকুক না কেনো তারা যেমন দলের ভালো চায়না তেমন দেশের ভালো চায়না। রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকা রাঘব বোয়ালদের গ্রেফতার করা গেলেই সমাজ থেকে মাদকের প্রভাব অনেকাংশেই কমে যাবে।

Safari-র নিচের Share (⬆) বাটনে চাপুন, তারপর "Add to Home Screen" বেছে নিন।
আপনার মতামত লিখুন