শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জের পাঁচ উপজেলার ২৪০টি পূজামণ্ডপ ও মন্দিরে কয়েক স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দায়িত্বে থাকবেন ৯৪৭ জন পুলিশ ও ১ হাজার ৫১৮ জন আনসার সদস্য। পাশাপাশি এসআরবি, বিজিবি, কোস্ট গার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।
প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ২৪০টি মণ্ডপের মধ্যে ৩৯টি অধিক গুরুত্বপূর্ণ, ৭০টি গুরুত্বপূর্ণ ও ১৩১টি সাধারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। মণ্ডপভিত্তিক নিরাপত্তার পাশাপাশি থাকবে মোবাইল টিম, মোটরসাইকেল টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী জানান, অধিক গুরুত্বপূর্ণ মণ্ডপে একজন উপপরিদর্শক (এসআই) ও দুজন পুলিশ, গুরুত্বপূর্ণ মণ্ডপে একজন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ও একজন পুলিশ এবং সাধারণ মণ্ডপে দুজন করে পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। স্ট্যান্ডিং ফোর্সে ৫১৯ ও মোবাইল টিমে ৪২৮ জনসহ মোট ৯৪৭ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবেন। থাকবে ৩৮টি মোবাইল টহল টিম; মোটরসাইকেলে টহল দেবেন ২৯ জন পুলিশ সদস্য।
জেলা আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর কমান্ড্যান্ট মো. হেলাল উদ্দীন জানান, অধিক গুরুত্বপূর্ণ মণ্ডপে আটজন এবং গুরুত্বপূর্ণ ও সাধারণ মণ্ডপে ছয়জন করে আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। মোট মোতায়েন করা হবে ১ হাজার ৫১৮ জন।
ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন জানান, অগ্নিনিরাপত্তা ও প্রতিমা বিসর্জনের সময় ঘাটে ডুবুরি সহায়তায় পর্যায়ক্রমে দুই শতাধিক সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। মণ্ডপে থাকা আনসার সদস্যদের অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র ব্যবহারের প্রশিক্ষণও দেওয়া হবে।
এসআরবি-১১-এর ভারপ্রাপ্ত উপ-অধিনায়ক ক্যাপ্টেন রওনক হাসান জানান, জেলাজুড়ে টহলের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি চলছে। জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক নজরদারি করবেন এবং বিজিবি নিয়মিত টহল দেবে।
কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, নদীবেষ্টিত এলাকাগুলোতে কোস্ট গার্ড সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে পূজামণ্ডপগুলোতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা ও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জের পাঁচ উপজেলার ২৪০টি পূজামণ্ডপ ও মন্দিরে কয়েক স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দায়িত্বে থাকবেন ৯৪৭ জন পুলিশ ও ১ হাজার ৫১৮ জন আনসার সদস্য। পাশাপাশি এসআরবি, বিজিবি, কোস্ট গার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।
প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ২৪০টি মণ্ডপের মধ্যে ৩৯টি অধিক গুরুত্বপূর্ণ, ৭০টি গুরুত্বপূর্ণ ও ১৩১টি সাধারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। মণ্ডপভিত্তিক নিরাপত্তার পাশাপাশি থাকবে মোবাইল টিম, মোটরসাইকেল টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী জানান, অধিক গুরুত্বপূর্ণ মণ্ডপে একজন উপপরিদর্শক (এসআই) ও দুজন পুলিশ, গুরুত্বপূর্ণ মণ্ডপে একজন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ও একজন পুলিশ এবং সাধারণ মণ্ডপে দুজন করে পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। স্ট্যান্ডিং ফোর্সে ৫১৯ ও মোবাইল টিমে ৪২৮ জনসহ মোট ৯৪৭ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবেন। থাকবে ৩৮টি মোবাইল টহল টিম; মোটরসাইকেলে টহল দেবেন ২৯ জন পুলিশ সদস্য।
জেলা আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর কমান্ড্যান্ট মো. হেলাল উদ্দীন জানান, অধিক গুরুত্বপূর্ণ মণ্ডপে আটজন এবং গুরুত্বপূর্ণ ও সাধারণ মণ্ডপে ছয়জন করে আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। মোট মোতায়েন করা হবে ১ হাজার ৫১৮ জন।
ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন জানান, অগ্নিনিরাপত্তা ও প্রতিমা বিসর্জনের সময় ঘাটে ডুবুরি সহায়তায় পর্যায়ক্রমে দুই শতাধিক সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। মণ্ডপে থাকা আনসার সদস্যদের অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র ব্যবহারের প্রশিক্ষণও দেওয়া হবে।
এসআরবি-১১-এর ভারপ্রাপ্ত উপ-অধিনায়ক ক্যাপ্টেন রওনক হাসান জানান, জেলাজুড়ে টহলের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি চলছে। জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক নজরদারি করবেন এবং বিজিবি নিয়মিত টহল দেবে।
কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, নদীবেষ্টিত এলাকাগুলোতে কোস্ট গার্ড সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে পূজামণ্ডপগুলোতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা ও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

Safari-র নিচের Share (⬆) বাটনে চাপুন, তারপর "Add to Home Screen" বেছে নিন।
আপনার মতামত লিখুন