নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে যুবদল নেতা রিপনকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী মাওলানা আবদুল জব্বার। এক বিবৃতিতে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
গত ১৮ অক্টোবর রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার ভোলাবো ইউনিয়নের পাইস্কা এলাকায় নিজ বাড়ির সামনে রিপনকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠে। নিহত রিপন ভোলাবো ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সহসভাপতি এবং পাইস্কা এলাকার মহিবুল্লার ছেলে।
বিবৃতিতে আবদুল জব্বার অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার ও অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।
তিনি বলেন, “নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে নিজেদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার ও ভাগ-বাটোয়ারাকে কেন্দ্র করে দলাদলি ও কোন্দলে একটি প্রাণ ঝরে গেল, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিএনপি যেখানে মুখে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’-এর কথা বলছে, সেখানে বাস্তবে নিজেদের ভাগ-বাটোয়ারা ও আধিপত্য বজায় রাখতে গিয়ে নিজেদের সহকর্মীদের জীবন কেড়ে নিচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক বিরোধের কারণে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ অক্টোবর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে যুবদল নেতা রিপনকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী মাওলানা আবদুল জব্বার। এক বিবৃতিতে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
গত ১৮ অক্টোবর রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার ভোলাবো ইউনিয়নের পাইস্কা এলাকায় নিজ বাড়ির সামনে রিপনকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠে। নিহত রিপন ভোলাবো ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সহসভাপতি এবং পাইস্কা এলাকার মহিবুল্লার ছেলে।
বিবৃতিতে আবদুল জব্বার অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার ও অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।
তিনি বলেন, “নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে নিজেদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার ও ভাগ-বাটোয়ারাকে কেন্দ্র করে দলাদলি ও কোন্দলে একটি প্রাণ ঝরে গেল, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিএনপি যেখানে মুখে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’-এর কথা বলছে, সেখানে বাস্তবে নিজেদের ভাগ-বাটোয়ারা ও আধিপত্য বজায় রাখতে গিয়ে নিজেদের সহকর্মীদের জীবন কেড়ে নিচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক বিরোধের কারণে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

Safari-র নিচের Share (⬆) বাটনে চাপুন, তারপর "Add to Home Screen" বেছে নিন।
আপনার মতামত লিখুন