নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের একটি পরিত্যক্ত কার্যালয় থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির পচন ধরা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাঁর বয়স আনুমানিক ৪৫ বছর। পুলিশের ধারণা, ৭ থেকে ৮ দিন আগে তাঁর মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। মরদেহের শরীরে কেরোসিন বা মবিলজাতীয় তরল পদার্থের প্রলেপ পাওয়া গেছে বলেও জানা গেছে।
মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জের নাসিক ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাঁচপুর সেতুর পশ্চিম ঢালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দক্ষিণ পাশে অবস্থিত সওজের পুরোনো পরিত্যক্ত কার্যালয়ের ভেতর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, খবর পেয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবু কাওসার সবুজ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির কার্যক্রম শুরু হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
পরিচয় শনাক্তের জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) আঙুলের ছাপ সংগ্রহের জন্য খবর দেওয়া হয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মজিবুর রহমান জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই ব্যক্তি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। মরদেহটি ৭ থেকে ৮ দিন আগের হতে পারে। ইতোমধ্যে মরদেহে পচন ধরেছে। ময়নাতদন্তের জন্য সেটি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো নিহত ব্যক্তির পরিচয়, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কিংবা শরীরে তরল পদার্থ লাগানোর কারণ নিশ্চিত করা যায়নি। এটি স্বাভাবিক মৃত্যু, নাকি হত্যাকাণ্ড—তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পর জানা যাবে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক বা গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি। ঘটনার বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ অক্টোবর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের একটি পরিত্যক্ত কার্যালয় থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির পচন ধরা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাঁর বয়স আনুমানিক ৪৫ বছর। পুলিশের ধারণা, ৭ থেকে ৮ দিন আগে তাঁর মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। মরদেহের শরীরে কেরোসিন বা মবিলজাতীয় তরল পদার্থের প্রলেপ পাওয়া গেছে বলেও জানা গেছে।
মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জের নাসিক ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাঁচপুর সেতুর পশ্চিম ঢালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দক্ষিণ পাশে অবস্থিত সওজের পুরোনো পরিত্যক্ত কার্যালয়ের ভেতর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, খবর পেয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবু কাওসার সবুজ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির কার্যক্রম শুরু হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
পরিচয় শনাক্তের জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) আঙুলের ছাপ সংগ্রহের জন্য খবর দেওয়া হয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মজিবুর রহমান জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই ব্যক্তি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। মরদেহটি ৭ থেকে ৮ দিন আগের হতে পারে। ইতোমধ্যে মরদেহে পচন ধরেছে। ময়নাতদন্তের জন্য সেটি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো নিহত ব্যক্তির পরিচয়, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কিংবা শরীরে তরল পদার্থ লাগানোর কারণ নিশ্চিত করা যায়নি। এটি স্বাভাবিক মৃত্যু, নাকি হত্যাকাণ্ড—তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পর জানা যাবে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক বা গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি। ঘটনার বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

Safari-র নিচের Share (⬆) বাটনে চাপুন, তারপর "Add to Home Screen" বেছে নিন।
আপনার মতামত লিখুন